পশ্চিমবঙ্গে কর্মরত প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের টেট পরীক্ষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল স্কুলশিক্ষা দফতর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে কর্মরত শিক্ষকদের টেট পরীক্ষায় বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা আয়োজনের জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশে জানানো হয়েছে, কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য যত দ্রুত সম্ভব টেট পরীক্ষা আয়োজন করতে হবে। শুধু একবার পরীক্ষা নিলেই হবে না, পরবর্তী সময়েও নিয়মিতভাবে পরীক্ষা নিতে হবে। প্রায় ছ’মাস অন্তর, অর্থাৎ বছরে অন্তত দু’বার টেট আয়োজনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্মরত শিক্ষকরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে টেট পাশ করার জন্য একাধিক সুযোগ পাবেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ৩১ অগস্ট ২০২৮-এর মধ্যে টেট যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। ওই সময়সীমার মধ্যে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে চাকরিতে বহাল থাকার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

তবে আদালতের নির্দেশে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, যাঁদের চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছরের কম, তাঁদের টেট দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। পাশাপাশি সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠানগুলিও এই নির্দেশের আওতাভুক্ত নয়।

সংখ্যালঘু নয় এমন স্কুলে কর্মরত সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে অবশ্য টেট পাশ করা বাধ্যতামূলক। ফলে যাঁদের এখনও টেট যোগ্যতা নেই, তাঁদের ২০২৮ সালের নির্ধারিত সময়সীমার আগে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে।

এখন স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ দ্রুত পরীক্ষার আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু করবে। বছরে অন্তত দু’বার পরীক্ষা হলে কর্মরত শিক্ষকরা সময়মতো টেট পাশ করার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ পাবেন।

Leave a comment