জমি দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়৷ শীর্ষ আদালত রক্ষাকবচ বাতিল করতেই অভিষেকের বাড়িতে হানা দেয় সিআইডি ও পুলিশের আধিকারিকরা। অবশেষে গ্রেফতার হন সুমিত। শুক্রতে মেদিনীপুর জেলা আদালত তাঁকে ৮দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। এর মাঝেই সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদের পর উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীদের হাতে এসেছে তিনটি নাম।
সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের পরে যে তিনজনের নাম সামনে আসছে তাদের মধ্যে একজন হোটেল মালিক রয়েছেন। আরেকজন রয়েছেন প্রোমোটারও। এই ৩ জনকেই সিআইডি নোটিস দিতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি সূত্রের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, হোটেলের একটি ঘর সবসময় বুক করা থাকত। ওই হোটেলের রুমেই যাবতীয় লেনদেন করা হত, কেসডায়েরিতে এমনই উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালত সুমিতের রক্ষাকবচ বাতিল করে দেয়। সেই সঙ্গে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনটিও খারিজ করে দিয়েছিল। আদালতের নির্দেশ প্রকাশ্যে আসার পরেই শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় সুমিতকে গ্রেফতার করে সিআইডি। কালীঘাটে অভিষেকের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, সুমিত তদন্তে সহযোগিতা করেননি। জিজ্ঞাসাবাদের সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন বার বার। সেই কারণেই তাঁর রক্ষাকবচ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় শীর্ষ আদালত।
এরপরেই কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল সিআইডি। সঙ্গে ছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। অভিষেক নিজে বাড়িতে নেই। তিনি চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়েছেন। কালীঘাটের বাড়ির সামনে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়েছিল কিছুক্ষণ। শেষপর্যন্ত সিআইডি আধিকারিকেরা বাড়িতে ঢোকেন। দরজা খুলতেই সুমিত বেরিয়ে আসেন এবং তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

Leave a comment