অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের সপ্তম ও অষ্টম তলায় অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ নয়। এমনই অভিযোগ তুলে অবিলম্বে দু’টি তল খালির নোটিস দেয় দমকল। সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যায় কালীঘাট তৃণমূল। তবে তাতেও কোনো সুরাহা হল না। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে মুখ থুবড়ে পড়লেন অভিষেক।
ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস খালি করতেই হবে তৃণমূল সাংসদকে। দমকলের নোটিসের উপর আপাতত কোনও পদক্ষেপ নয়। জানিয়ে দিল আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চে মামলার শুনানি হয় আজ। জানা যাচ্ছে, ১৬ সেপ্টেম্বর মামলার চূড়ান্ত রায় দিতে পারেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের সিঙ্গল বেঞ্চ।
এদিন অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিত মিত্র বলেন, সাত তলায় অনেক সিলিন্ডার পাওয়া গিয়েছে। এটা অস্বীকার করেননি মালিক। কিন্তু, তা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়নি। শুধু প্রশ্ন তুলেছে এটা অপ্রয়োজনীয়। ফায়ার এলার্ম কাজ করছিল না। ৪৫ ফায়ার স্প্রিংকাল থাকলেও সেগুলি অন্যান্য তল থেকে অনেক কম। অনেক কিছুই ডিফেক্টিভ ও নন ফংশান ছিল। তাঁদের বক্তব্য ছিল এগুলি মালিকের দায়িত্ব।
এর পরেই বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ফায়ার লাইসেন্স সময় লাগে। একদিনে হয় না। একটু সময় দিন। এর কোনও ইমিডিয়েট এফেক্ট নেই। আবার, বাড়ির মালিকের আইনজীবী সৌম্য মজুমদার বলেন, একটা সময়ের পর বাড়ির অ্যাক্সেস মালিকের জন্যও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরা না জানিয়ে ক্যাফেটেরিয়া বানিয়েছিল। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রশ্ন করেন, বাড়ির মালিক হিসেবে কোনও নোটিশ পাঠিয়েছিলেন? ক্যাফেটেরিয়ার কোনও ভাড়া নিয়েছেন? তাতে
মালিকের আইনজীবী দাবি করেন, ক্যাফেটেরিয়া বাইরে থেকে দেখা যেত না। এরপরই দমকলের নোটিসে কোনও পদক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত নেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও।

Leave a comment