পুজোর ঢাকে কাঠি পড়তে এখনও কিছুটা সময় বাকি। তবে কলকাতার বিভিন্ন পুজো কমিটিতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে থিমের প্রস্তুতি। এর মধ্যেই রুবি মোড়ের একটি দুর্গাপুজোকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ। এবারের মণ্ডপে তুলে ধরা হবে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক জীবনের নানা অধ্যায়। ‘নন্দীগ্রাম থেকে নবান্ন/বুবাইয়ের জয়যাত্রা’—এই থিমেই সাজবে পুজোমণ্ডপ।

এই পুজোর উদ্যোক্তা হিন্দু মহাসভা। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামীর নেতৃত্বে চলছে প্রস্তুতি। 

উদ্যোক্তাদের দাবি, তাঁদের এই বিশেষ উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দপ্তর থেকে শুভেচ্ছাবার্তাও এসেছে।

হিন্দু মহাসভার তরফে জানানো হয়েছে, পুজোর প্রস্তুতির সময় সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল দিল্লিতে যায়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে পুজোয় আমন্ত্রণ জানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। আমন্ত্রণপত্র এবং চিঠি তুলে দেওয়া হয় তাঁদের দপ্তরে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ফোন এবং রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে চিঠির মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে বলে দাবি আয়োজকদের।

থিমের মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত জীবন এবং রাজনৈতিক সংগ্রামের নানা দিক তুলে ধরা হবে। বিশেষভাবে জায়গা পাবে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক অধ্যায়। সেখান থেকে তাঁর রাজনৈতিক উত্থান এবং পরবর্তী সাফল্যের ধারাবাহিকতা মণ্ডপসজ্জার বিভিন্ন অংশে ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

দর্শকদের জন্য থাকছে আরও একটি আকর্ষণ। উদ্যোক্তারা একটি তথ্যচিত্র বা শর্ট ফিল্ম তৈরি করছেন বলে জানিয়েছেন। সেখানে কাঁথির ছেলে ‘বুবাই’-এর রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন ঘটনা থেকে নন্দীগ্রাম পর্ব পর্যন্ত নানা বিষয় তুলে ধরা হবে।

পুজোয় সাধারণ মানুষও শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে নিজেদের বার্তা পাঠাতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। হিন্দু মহাসভার সঙ্গে যোগাযোগ করে স্লোগান বা বক্তব্য জানালে তা তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর বাবা-মাকেও পুজোয় আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে তৈরি এই থিম এবারের কলকাতার পুজোয় কতটা নজর কাড়ে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

Leave a comment