দুর্গাপুজোর আগেই বিধিনিষেধ নিয়ে একাধিক নির্দেশ দয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উৎসবের আবেগকে সঙ্গে করেই উদযাপন হবে কিন্তু কোনও প্রকারের অতিরিক্ত কিছুর জায়গা নেই এ বছরের পুজোয়। অনুদান থেকে বিল মকুবের ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর আবেদন, যে সকল ক্লাব বড় পুজো করে তারা যেন এই ১ লক্ষ টাকার অনুদান না নেয়।
মুখ্যমন্ত্রীর কথামতোই একাধিক ক্লাব নিচ্ছে না অনুদান। ইতিমধ্যেই অনুদান না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানাতে শুরু করেছে একাধিক ক্লাব। এর মধ্যে রয়েছে বিধায়ক সজল ঘোষের পুজো সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার। সজল জানিয়ে দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়, “আগেও অনুদান নেওয়া হয়নি, এখনও নেব না।”
আবার, রাজডাঙা নবদয় সঙ্ঘের চেয়ারপার্সন কেয়া ঘোষ বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ছোট-বড় পুজোর পাশে দাঁড়ানো। বিশেষ করে বিদ্যুতের বিলে ১০০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এটা অনেক বড় কাজ। আর রাজডাঙা এবার অন্যরকম ভাবে ভেবেছে। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর অর্থমন্ত্রীর তহবিলে অর্থরাশি দেব।”
অপরদিকে, সরকারি অনুদান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত চোরবাগান সর্বজনীনেরও। এবার মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে অনুদান নেবে না টালা প্রত্যয় ক্লাব, সন্তোষপুর লেক পল্লী। পাশাপাশি সরকারি অনুদান ছাড়াই পুজো করবে ফুলবাগান সর্বজনীন বলেও জানা যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ”আমি মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করতে চাই না। আমি বড় বাজেটের পুজোগুলোকে বলতে চাই, সরকারের অর্থনৈতিক সাহায্য নেবেন না। যাঁরা নেবেন না, তাঁদের বিশেষ ধন্যবাদ। যাঁদের এই টাকা না হলে পুজো করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য সরকার ১ লক্ষ টাকা করে দেবে।” এই মর্মে তিনি জানিয়ে দেন, “ছোট বাজেটের পুজো কমিটিগুলোকে অনুদান দেব, বড় বাজেটের পুজোগুলোকে দেব না।”

Leave a comment