তৃণমূল জমানায় দুর্গাপুজো করতে আদালতে যেতে হয়েছে। রামনবমীর মিছিল করতেও প্রশাসনের অনুমতি পাওয়া যেত না। বুধবার গুজরাটের ভাদনগরে দাঁড়িয়ে এমনই অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি নিয়েও সরব হন তিনি।

শুভেন্দুর দাবি, গত ৫০ বছরে বাম এবং তৃণমূলের শাসনে বাংলার অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখন রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাঁর। মোদির দেখানো পথেই রাজ্য সরকার কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

এদিন অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গও তোলেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল আমলে সীমান্ত পেরিয়ে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি বাংলায় ঢুকেছে। তাঁদের মধ্যে ৩ লক্ষেরও বেশি গুজরাটে পৌঁছে গিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও অভিযোগ, বাংলার প্রায় ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত এখনও বেড়াহীন। বিএসএফকে বেড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমিও তৃণমূল সরকার দেয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

শুভেন্দুর অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের মদতেই অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফকে জমি দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ভাদনগরের মঞ্চ থেকে মোদির প্রশংসাও করেন শুভেন্দু। বলেন, “মোদির জন্মভূমিতে আসতে পেরে আমি গর্বিত। যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, বাংলাকে বাঁচানো মুশকিল হয়ে পড়ত। কিন্তু মোদির নেতৃত্বে বাংলাকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। এই জন্য তাঁকে কোটি কোটি প্রণাম।”

এর পরেই বাংলায় ‘রাষ্ট্রবাদী ডবল ইঞ্জিন সরকার’ গঠনের কথা বলেন তিনি। মোদির নেতৃত্বে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী।

Leave a comment