প্রতি মাসের শুরুতেই রান্নার গ্যাসের নতুন দাম প্রকাশ করা হয়। তবে এবার পয়লা অক্টোবর থেকে LPG গ্রাহকদের জন্য কার্যকর হতে চলেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ভর্তুকিতে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার পেতে হলে আধার বায়োমেট্রিক অথেনটিকেশন সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক হচ্ছে।

এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে। আগে থেকেই জানানো হয়েছিল, সময়ের মধ্যে আধার যাচাই না করালে LPG পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তবে নতুন নিয়মে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে না। মূল প্রভাব পড়বে ভর্তুকির ক্ষেত্রে। অর্থাৎ, আধার বায়োমেট্রিক অথেনটিকেশন না করা থাকলে ভর্তুকিযুক্ত দামে রান্নার গ্যাস পাওয়ার সুবিধা মিলবে না।

যাঁরা এখনও আধার অথেনটিকেশন সম্পূর্ণ করতে পারেননি, তাঁদের জন্য অবশ্য সুযোগ থাকছে। সিলিন্ডার ডেলিভারির সময়ই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। পাশাপাশি, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের শো-রুমে গিয়েও নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আধার সংযোগের কাজ করা সম্ভব।

Indane-এর গ্রাহকরা IndianOil ONE অ্যাপ, Bharatgas গ্রাহকরা HelloBPCL এবং HP Gas-এর গ্রাহকরা HP PAY অ্যাপ ব্যবহার করে আধার লিঙ্ক করতে পারবেন।

এদিকে দেশের অধিকাংশ এলাকায় LPG সিলিন্ডারের সরকারি দামে বড় কোনও পরিবর্তনের খবর নেই। তবে উত্তরপ্রদেশের কিছু গ্রামীণ এলাকায় কমার্শিয়াল LPG সিলিন্ডার তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হওয়ার খবর সামনে এসেছে।

বিশেষ করে কুশীনগর জেলার কয়েকটি এলাকায় ১৯ কেজির কমার্শিয়াল সিলিন্ডার সরকারি নির্ধারিত দামের তুলনায় প্রায় ২০০ থেকে ৬০০ টাকা কমে মিলছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। সেখানে সরকারি দাম প্রায় ২,৯৪৬ টাকা হলেও কিছু এজেন্সিতে একই সিলিন্ডার ২,৪০০ থেকে ২,৭০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

তবে এটিকে কোনও দেশব্যাপী সরকারি মূল্যছাড় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। স্থানীয় কিছু ডিলার বা গ্যাস এজেন্সির দেওয়া ছাড়ের কারণেই এই দামের পার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রামীণ এলাকা এবং ছোট শহরগুলিতে রেস্তোরাঁ, হোটেল, চায়ের দোকান, মিষ্টির দোকান, ধাবা ও ক্যাটারিং ব্যবসায় কমার্শিয়াল LPG-এর চাহিদা তুলনামূলক কম। ফলে কোথাও কোথাও এজেন্সিগুলির কাছে সিলিন্ডারের স্টক জমে যাচ্ছে। সেই মজুত দ্রুত বিক্রি করার লক্ষ্যেই কিছু জায়গায় কম দামে কমার্শিয়াল LPG বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

Leave a comment