নরেন্দ্র মোদীর প্রশাসক হিসেবে ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে  পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি শুরু করছে রাজ্য সরকার। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এই কর্মসূচির বিস্তারিত পরিকল্পনা জানানো হয়েছে।

অভিযানের আওতায় ১২টিরও বেশি বিশেষ কর্মসূচি থাকছে। এর মধ্যে অন্যতম ‘সেবা সেতু অভিযান’। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবরের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত ব্লকে দু’দিনের বিশেষ শিবির আয়োজন করা হবে। এই শিবিরে যোগ্য উপভোক্তারা সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে নতুন করে নাম নথিভুক্ত করার সুযোগ পাবেন।

নবান্নের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, এটি কোনও একটি দফতরের সাধারণ কর্মসূচি নয়। বিভিন্ন সরকারি বিভাগকে সমন্বয় করে ব্লক স্তর পর্যন্ত এই উদ্যোগ পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রচার এবং তদারকির মূল দায়িত্বে থাকবে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। পাশাপাশি প্রায় ২৫ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচিও রাখা হয়েছে।

এবারের প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়াকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ইনফ্লুয়েন্সার এবং নেটপ্রভাবীদের কাজে লাগানো হবে। তাঁরা সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের জীবন পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ছোট রিলস ও ভিডিয়ো তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হবে।

১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচির মাধ্যমে অভিযানের সূচনা হবে। সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগী পরিবারগুলি নিজেদের বাড়িতে প্রদীপ জ্বালাবেন। সেই ছবি ও ভিডিয়ো বুথ স্তরে হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করা হবে। পরে #Ashirwad_Ka_Diya হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে সেগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হবে।

২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে তিন দিনের পুষ্টি ও নারীকল্যাণ সচেতনতা কর্মসূচি হবে। একইসঙ্গে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকাদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

অভিযানের শেষ পর্বে ১০ অক্টোবর কলকাতাসহ চারটি শহরে ‘জনসেবক মহাকুম্ভ’ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে পঞ্চায়েত ও জনপ্রতিনিধিদের জমায়েত হবে। একসঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবক গাওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এক মাসের পরিকল্পনা থাকলেও ১০ অক্টোবর মহালয়া হওয়ায় ২৪ দিনের মধ্যেই পুরো কর্মসূচি শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Leave a comment