পুজোর ক’দিন শিয়ালদহ স্টেশনে গাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে না পার্কিং এলাকায়। পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত বন্ধ থাকবে স্টেশনের পার্কিং এবং ডিজিটাল লকার পরিষেবা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখে স্টেশন চত্বরে ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থাও করছে রেল।
পুজোর সময় স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় সামলানো এবং নিরাপত্তা নিয়ে সম্প্রতি বৈঠকে বসেন শিয়ালদহ ডিভিশনের আধিকারিকেরা। সেখানে রাজ্য পুলিশ, কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ ও জিআরপির পদস্থ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ছিলেন শিয়ালদহের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার রাজীব সাক্সেনাও। স্টেশনে যাত্রীদের যাতায়াত থেকে শুরু করে আশপাশের যান চলাচল, সব দিক খতিয়ে দেখে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্টেশনে ঢোকা ও বেরনোর জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হবে। প্ল্যাটফর্মে যাতে অতিরিক্ত ভিড় জমে না যায়, সে জন্য যাতায়াতের পথও আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে মোতায়েন থাকবেন আরপিএফ কর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে নিরাপত্তার কাজে থাকবেন ২৭০ জন প্রাক্তন সেনাকর্মী। বাড়তি বাহিনী হিসেবে আনা হবে রেলওয়ে প্রোটেকশন স্পেশাল ফোর্সও। যে সব লেভেল ক্রসিংয়ে গাড়ির চাপ বেশি থাকে, সেখানেও বাড়ানো হবে নজরদারি।
ফুট ওভারব্রিজগুলিতে আরপিএফের পাশাপাশি থাকবেন স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস এবং সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। ভিড় বেশি হতে পারে, এমন স্টেশনগুলিতে চিকিৎসাকেন্দ্র ও অ্যাম্বুল্যান্স রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। গোটা ডিভিশনের পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে ১১টি নোডাল পয়েন্ট তৈরি করা হবে। সব স্টেশনের খবরাখবর এক জায়গা থেকে দেখার জন্য চালু থাকবে ওয়ার রুমও।
জরুরি প্রয়োজনে ৯১৪৭৯০৬৭৭৮ নম্বরে ফোন করে সাহায্য চাইতে পারবেন যাত্রী ও রেলকর্মীরা। পুজোর সময় অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন এবং মোবাইল ইউটিএস পরিষেবা বন্ধ হচ্ছে না। যাত্রীদের ভিড় বুঝে অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টারও খোলা হবে বলে জানিয়েছে রেল।

Leave a comment