শান্তিনিকেতনে বেড়াতে গিয়ে বিশ্বভারতীর হেরিটেজ ওয়াক দেখতে চান? পর্যটকদের জন্য এবার টিকিট কাটার প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে চলেছে বিশ্বভারতী। পুজোর পর থেকেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ই-টিকিট বুকিং চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে কাউন্টারের সামনে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার প্রয়োজন অনেকটাই কমবে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতন সারা বছরই পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
বিশ্বভারতীর হেরিটেজ ওয়াকে কবিগুরুর ব্যবহৃত বিভিন্ন বাড়ি, সংগ্রহশালা এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ঘুরে দেখার সুযোগ পান দর্শনার্থীরা। এতদিন টিকিট সংগ্রহের জন্য রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালার কাউন্টারে যেতে হত। নতুন ব্যবস্থায় ঘরে বসেই আগাম টিকিট বুক করা যাবে।ই-টিকিটের সঙ্গে বারকোড ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে।
প্রবেশের সময় বারকোড স্ক্যান করে টিকিটের বৈধতা যাচাই করা হবে। এর ফলে টিকিট পরীক্ষার কাজ দ্রুত করার পাশাপাশি পর্যটকদের প্রবেশ ব্যবস্থাপনাও আরও সহজ হতে পারে। এই পরিষেবা চালুর জন্য ইতিমধ্যেই টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
হেরিটেজ ওয়াকের অন্যতম আকর্ষণ রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত উদয়ন, উদীচী, কোনার্ক, শ্যামলী ও পুনশ্চ—এই পাঁচটি বাড়ি। রয়েছে রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালা, যেখানে কবিগুরুর ব্যবহৃত নানা সামগ্রী, পাণ্ডুলিপি এবং নোবেল পদকের প্রতিরূপ সংরক্ষিত রয়েছে। শান্তিনিকেতন গৃহ এবং কলাভবন সংগ্রহশালাও দর্শন-পর্বের অংশ।
বর্তমানে সাধারণ পর্যটকদের জন্য টিকিটের মূল্য ৩০০ টাকা। দলবদ্ধ পড়ুয়াদের জন্য ৫০ টাকা এবং একক পড়ুয়ার জন্য ১৫০ টাকা। বিদেশি পর্যটকদের জন্য টিকিটের দাম ১০০০ টাকা। একটি দলে সর্বাধিক ২৫ জন প্রবেশ করতে পারেন। এদিকে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ‘লাইট অ্যান্ড সাউন্ড’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

Leave a comment