গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তে গিয়ে অশালীন আচরণের শিকার হয়েছে ১২ বছরের এক নাবালিকা। এমনই অভিযোগ করেছে তার পরিবার। অভিযোগ, বেশ কিছুদিন ধরে পড়ানোর ফাঁকে নানা অছিলায় ওই ছাত্রীর গায়ে হাত দিতেন শিক্ষক। গত ২ অক্টোবরও একই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। এরপরই মায়ের কাছে সব কথা জানায় নাবালিকা। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গৃহশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি জানকীনগর দক্ষিণপাড়ার। ধৃতের নাম আরিজ শেখ। ওই এলাকারই বাসিন্দা তিনি। পেশায় গৃহশিক্ষক আরিজ কিছুদিন ধরে স্থানীয় এক ১২ বছরের মেয়েকে পড়াচ্ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, পড়ানোর সময় ছাত্রীটির সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন তিনি। একাধিকবার নাবালিকার গোপনাঙ্গে হাত দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

পরিবারের দাবি, ঘটনা কাউকে জানালে মারধর করা হবে এবং প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলে ভয় দেখানো হয়েছিল। সেই কারণেই প্রথমদিকে কাউকে কিছু বলেনি মেয়েটি। ২ অক্টোবর ফের একই ঘটনা ঘটলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সে। শেষ পর্যন্ত ৪ অক্টোবর বিকেলে মায়ের কাছে বিষয়টি জানায়।

মেয়ের মুখে সব কথা শুনে পরিবারের সদস্যরা মিরাবাজার ফাঁড়িতে যান। সেখানে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। রবিবার রাতে আরিজ শেখকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার তাঁকে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে তোলা হয়েছে।

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে নাবালিকার পরিবার। তাঁদের বক্তব্য, পড়াশোনার জন্য যে শিক্ষকের উপর ভরসা করেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ ওঠায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর জানকীনগর দক্ষিণপাড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Leave a comment