বুধবার গুজরাটে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার গুজরাট থেকে বিহারের পূর্ণিয়া হয়ে মালদহের মানিকচকে যাওয়ার কথা তাঁর। সেখানে ভূতনির বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি আর্থিক সাহায্য-সহ একাধিক সরকারি সহায়তার ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজোর আগে বন্যাদুর্গতদের জন্য কিছু ঘোষণা থাকতে পারে বলেও প্রশাসন সূত্রে খবর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বুধবার গুজরাটে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পাহাড় সফর কাটছাঁট করেই গুজরাটে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর বিহারের পূর্ণিয়ায় যাওয়ার কথা। সেখান থেকে মানিকচকের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

কয়েকদিন আগেই বন্যায় বিপর্যস্ত হয় মালদহের ভূতনি চর। জলের তোড়ে বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরছাড়া বহু মানুষ এখনও ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাঁদের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য সরকারি সাহায্যের কথা ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে গুজরাট থেকে ফিরলে বৃহস্পতিবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে পূর্ণিয়া যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দেখা হতে পারে। এরপর হেলিকপ্টারে পূর্ণিয়া থেকে মানিকচকে যাওয়ার কথা। সেখানে সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দেবেন তিনি।

তবে আবহাওয়া খারাপ থাকলে সফরের পরিকল্পনায় বদল হতে পারে। সেক্ষেত্রে পূর্ণিয়া থেকেই মানিকচকের সরকারি সভার ভার্চুয়াল উদ্বোধন করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিস্থিতি অনুযায়ী সড়কপথেও মানিকচক যাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। কর্মসূচি শেষে কলকাতায় ফেরার কথা তাঁর।

আর যদি বুধবার রাত পর্যন্ত গুজরাটেই থাকেন মুখ্যমন্ত্রী, তাহলে বৃহস্পতিবার সেখান থেকেই সরাসরি পূর্ণিয়ার উদ্দেশে রওনা দিতে পারেন। পরে পূর্ণিয়া থেকে মানিকচক যাবেন। মুখ্যমন্ত্রীর সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই মালদহ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

Leave a comment