ঝিলের জলে ভাসছে মহিলার দেহ। মঙ্গলবার বেহালার জ্যোতিষ রায় রোডে এই দৃশ্য দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথম দেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। তবে ওই মহিলার পরিচয় এখনও জানা যায়নি। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়েও ধন্দে তদন্তকারীরা।
বেহালার ১১৭ নম্বর ওয়ার্ডের জ্যোতিষ রায় রোডে রয়েছে একটি বড় ঝিল। চারপাশে রেলিং দিয়ে ঘেরা জলাশয়টির পাশে প্রায়ই যাতায়াত করেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার সকালে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজনের নজরে পড়ে জলে ভাসতে থাকা দেহটি। এরপরই পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে।
কিন্তু ঝিলের জলে ওই মহিলা কীভাবে পৌঁছলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঝিলের প্রবেশপথের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তা হলে ওই মহিলা ভিতরে ঢুকলেন কীভাবে? দিনের বেলায় কোনওভাবে জলে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি, নাকি রাতের দিকে ঝিলের ভিতরে ঢুকেছিলেন? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
মৃত্যুর পিছনে অন্য কারও হাত রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত খুনের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছেন না তদন্তকারীরা। গোটা ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, মৃতার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। স্থানীয়দের কেউ তাঁকে চিনতে পারেন কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ঝিলের আশপাশে কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কেও খোঁজ নেওয়া হতে পারে।

Leave a comment