ক্যানসারের চিকিৎসা করাতে গিয়ে বহু পরিবারকে আর্থিক চাপের মুখে পড়তে হয়। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ কিনতে হলে খরচের বোঝা বাড়তেই থাকে। এই পরিস্থিতিতে ক্যানসার রোগীদের জন্য স্বস্তির খবর। ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ৫৪৩টি ব্র্যান্ডের ওষুধের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। আগামী ৯ নভেম্বর থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। ইতিমধ্যেই সংশোধিত সর্বোচ্চ খুচরো মূল্য (এমআরপি) প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (এনপিপিএ)।
ক্যানসারের চিকিৎসায় অনেক রোগীকেই দীর্ঘদিন ওষুধ খেতে হয়। রোগের ধরন অনুযায়ী ওষুধের খরচও আলাদা হয়। তার উপর রয়েছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসকের ফি এবং হাসপাতালে যাতায়াতের ব্যয়। সব মিলিয়ে মাসের শেষে চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে সমস্যায় পড়েন অনেকেই। ওষুধের দাম কমলে তাঁদের সেই চাপ কিছুটা কমতে পারে।
এনপিপিএ-র প্রকাশিত তালিকায় সংশ্লিষ্ট ৫৪৩টি ব্র্যান্ডের ওষুধের নতুন সর্বোচ্চ খুচরো মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী ৯ নভেম্বর থেকে সংশোধিত দাম কার্যকর হলে ওই ওষুধগুলি নতুন নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হওয়ার কথা। তবে সব ওষুধের দাম সমান হারে কমবে না। কোন ব্র্যান্ডের দাম কতটা কমছে, তা জানতে সংশোধিত মূল্যতালিকা দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
ওষুধ কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে লেখা দাম দেখে নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে ওষুধের দোকানেও নতুন মূল্য সম্পর্কে খোঁজ নিতে পারেন রোগী বা তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তবে দাম কমেছে বলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধের ব্র্যান্ড বদলানো বা ওষুধ খাওয়া বন্ধ করা ঠিক নয়।
নতুন দাম কার্যকর হলে সংশ্লিষ্ট ওষুধ ব্যবহার করেন এমন রোগীরা কতটা সাশ্রয় করতে পারবেন, তা নির্ভর করবে তাঁদের ব্যবহৃত ওষুধের উপর। দীর্ঘদিনের চিকিৎসার খরচ সামলাতে গিয়ে যাঁরা সমস্যায় পড়েন, তাঁদের কাছে এই সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তির কারণ হতে পারে।

Leave a comment