বুধবার সকালে ফ্লাই দুবাইয়ের এফজেড ১০৭৩ বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। মাঝআকাশে আচমকাই ঘটে যায় এই ভয়ংকর ঘটনা। প্রায় ৩৪ হাজার ফুট উঁচুতে তখন বিমান উড়ছে৷ সেই সময়েই ককপিটে শুরু হয় বিবাদ। ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছার উপর হামলা চালায় সহ-পাইলট। তার ছুরির কোপে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছার। 

রক্তাক্ত অবস্থাতেও ঝুঁকি নিতে ছাড়েননি স্মিত। কোনও মতে ককপিটের দরজা খুলে দেন। তারপরই সিনেমার কোনো দৃশ্যের মতোই তিনজন যাত্রী ঝাঁপিয়ে পড়েন। হেড ফোনের তার দিয়ে পেঁচিয়ে বেঁধে ফেলে হামলাকারীকে কাবু করেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, যে তিন যাত্রী ককপিটে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তাঁরা হলেন জভিকা ম্যানেস, আসাফ রাজওয়ান এবং ইয়ানিভ হায়ুন। তাঁরা প্রত্যেকেই ইজরায়েলের নাগরিক। 

কিন্তু এখন প্রশ্ন হল, কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে হামলাকারী ওমানি সহ-পাইলটের হাতে কীভাবে অস্ত্র এসেছিল? প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, ছুরি দিয়ে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরকে আঘাত করা হয়। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, সেটি ছুরি নয়, আদতে ছিল অগ্নিনির্বাপক কুঠার। সূত্রের খবর, লুকিয়ে বিমানের ভিতর অস্ত্র নিয়ে যাননি। বরং সহকর্মীকে কোপাতে উড়ানের ককপিটের ভিতরে রাখা একটি ‘ক্র্যাশ এক্স’ বা অগ্নিনির্বাপক কুঠার ব্যবহার করেছিলেন। 

প্রসঙ্গত, বিমান চলাচলের আন্তর্জাতিক বিধি অনুযায়ী, বিমান তৈরির সময়ই উড়ানে একটি ‘ক্র্যাশ এক্স’ স্থাপন করা হয়। প্রতিটি বাণিজ্যিক বিমানে এটির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। বর্তমানে তা পাইলটদের হাতের কাছে অর্থাৎ ককপিটেই থাকে।

Leave a comment