মহালয়া থেকেই পুজোর কাউন্টডাউন শুরু। হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন, তারপরই মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমবে দর্শনার্থীদের। তার আগে আকাশের মুখ ভার থাকায় কিছুটা চিন্তায় পুজো উদ্যোক্তারা। পুজোর শেষ মুহূর্তের কাজে বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, সেই প্রশ্নই ঘুরছে তাঁদের মনে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর অবশ্য এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও আশঙ্কা দেখছে না। তবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

শনিবার কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকার সম্ভাবনা। বেলা বাড়লে কিংবা সন্ধ্যার দিকে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তাপমাত্রাও রয়েছে কিছুটা কমের দিকে। এ দিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৭ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.২ ডিগ্রি কম।

দক্ষিণবঙ্গের সব জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বেশিরভাগ এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের কয়েকটি জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় প্রায় ৩০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।

১৫ থেকে ১৭ তারিখের মধ্যে কলকাতা, উপকূলবর্তী কয়েকটি জেলা, হুগলি ও ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পঞ্চমী থেকে সপ্তমীর মধ্যে কোথাও কোথাও বৃষ্টি হলে মণ্ডপে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। ঠাকুর দেখতে বেরোনোর পরিকল্পনা থাকলেও আবহাওয়ার আপডেট দেখে নেওয়া ভাল।

এর পর পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস। ১৮ ও ১৯ তারিখে দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আকাশ শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। যদিও দু’-এক জায়গায় সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। ২০ থেকে ২২ তারিখ, অর্থাৎ নবমী, দশমী ও একাদশীতেও বড় ধরনের বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। ফলে পুজোর শেষ কয়েকদিন আবহাওয়া তুলনায় স্বস্তিদায়ক থাকতে পারে।

উত্তরবঙ্গের ছবিটাও অনেকটা একই। মহালয়ার দিন কয়েকটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ১৬ ও ১৭ তারিখেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ১৮ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার পূর্বাভাস। সব মিলিয়ে পুজোয় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা আপাতত কম। কিন্তু প্রথম কয়েক দিন হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

Leave a comment