বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি ইতিমধ্যেই স্থলভাগে প্রবেশ করেছে। রাতেই সেটি অতিগভীর নিম্নচাপের রূপ নিয়ে উত্তর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশার উপর অবস্থান করছে। আগামী ১২ ঘণ্টা এই শক্তি বজায় থাকবে। এরপর ধীরে ধীরে দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তার প্রভাবেই বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট সবচেয়ে বেশি থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মাঝেমধ্যে রোদের দেখা মিললেও বৃষ্টির দাপট কমবে না বলেই পূর্বাভাস। বৃহস্পতিবার পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, কলকাতা, বাঁকুড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই ছয় জেলায় জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা।
এ ছাড়াও পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান এবং হাওড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।
শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পরিস্থিতি বজায় থাকবে। বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। শনিবার থেকে ধীরে ধীরে আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে উত্তরবঙ্গেও। পাহাড়ে ইতিমধ্যেই রাতভর ভারী বৃষ্টি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি রয়েছে। শুক্রবার ও শনিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। রবিবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির ব্যাপকতা কমতে পারে।

Leave a comment