বিষমদ পান করে মৃত্যু হয় ১৩ জনের। সম্প্রতি এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে মধ্যপ্রদেশে। এরপরেই তদন্তে নেমে মূল অভিযুক্ত ২৬ বছর বয়সের অজয় রাঠোরের নাম সামনে আসে। গ্রেফতার করা হয় ১১ জনকে। তদন্ত এগোতেই আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। জানা যাচ্ছে, এআই দিয়ে বানানো হয়েছিল মদ। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস জেলায়।
মূল অভিযুক্ত অজয় রাঠোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। জানা গিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সাহায্যে বাড়িতে রাসায়নিক ও জল মিশিয়ে মদ তৈরির পদ্ধতি শিখেছিল ওই অভিযুক্ত। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ভেজাল মদ খেয়ে মৃত্যুমিছিল শুরু হয়। বেঘোরে প্রাণ গিয়েছে ১৩ জনের।
অজয় রাঠোর এআই ব্যবহার করে বাড়িতে মদ তৈরির পদ্ধতি শিখেছিলেন। রাসায়নিক ও জল মিশিয়ে তৈরি করা ভেজাল মদের সঙ্গে আসল মদ মিশিয়ে তা বিক্রি করতেন তিনি। এমনটাই জানাচ্ছেন দেওয়াস কোতোয়ালি থানার পুলিশ আধিকারিক শশীকান্ত চৌরাসিয়া। এরপর লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের খালি বোতলে ওই ভেজাল মদ ভরে এলাকাতে বিক্রি করা হত।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ২ থেকে ৬ অক্টোবর বা ৭ অক্টোবর পর্যন্ত একটি বাড়ির মধ্যে মিদ তৈরি কিরা হয়৷ ৭ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে ওই ভেজাল মদ বিক্রি করা হয়েছিল বলে খবর। পুলিশ ইন্দোরের সেই গুদামটিও সিল করেছে, যেখান থেকে রাসায়নিক সরবরাহ করা হয়েছিল। লোহার পিপলিয়ার বাসিন্দা গোবিন্দ এবং গাধেশ্যা পিপলিয়ার বাসিন্দা রামেশ্বর এই কাজের মধ্যে যুক্ত ছিল বলে জানা গিয়েছে।

Leave a comment