মঙ্গলবার রাতে পানাগরের জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোডের ধারে একটি হোটেলের সামনে ডিউটিতে ছিলেন কাঁকসা ট্রাফিক গার্ডের কনস্টেবল সঞ্জয় জানা। সেই সময় পুলিশের গাড়ি থেকে নেমে কয়েক জন সহকর্মী হোটেলে বসেছিলেন। গাড়ির কাছেই ছিলেন সঞ্জয়। আচমকাই নিজের সার্ভিস রিভলভার মাথায় ঠেকিয়ে গুলি চালান তিনি। পরপর চার রাউন্ড গুলির শব্দ শুনে ছুটে আসেন অন্য পুলিশকর্মীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় পুলিশ মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা সঞ্জয়ের কর্মস্থল ছিল দুর্গাপুর। মঙ্গলবার রাতে কর্তব্যরত অবস্থায় কেন তিনি এমন ঘটনা ঘটালেন, তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনার সময় তাঁর সহকর্মীরা কোথায় ছিলেন এবং কীভাবে গুলি চলল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

গুলির শব্দ শুনেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন সহকর্মীরা। সেখানে সঞ্জয়কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। এরপর আর দেরি না করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। আপাতত মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। ব্যক্তিগত কোনও সমস্যা, নাকি অন্য কোনও বিষয় এই ঘটনার পিছনে রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Leave a comment