পুজোর মেলায় খাবারের দোকানে ভিড় জমান অনেকেই। ঘুগনি, পনিরের নানা পদ থেকে শুরু করে হরেক রকমের খাবার বিক্রি হয় সেখানে। তবে সেই খাবারের গুণমান নিয়েই এবার অভিযোগ উঠল দুর্গাপুরে। মেলায় পচা ও বাসি খাবার বিক্রি হচ্ছে বলে খবর পেয়ে অভিযান চালাল খাদ্য সুরক্ষা দফতর। ক্ষুদিরাম ময়দানের মেলাসহ ইস্পাত নগরীর বিভিন্ন পুজো মণ্ডপের সামনের খাবারের দোকানগুলিতে তল্লাশি চালান আধিকারিকরা। কয়েকটি দোকানে পচা ও বাসি খাবার মেলার পর সেগুলি ফেলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। দোকান মালিকদের সতর্কও করা হয়েছে।

দুর্গাপুজো শেষ হলেও উৎসবের মরশুম এখনও চলছে। সামনে লক্ষ্মীপুজো, তার পর কালীপুজো। দুর্গাপুরের বেশ কিছু মেলা লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত চলে। তাই মণ্ডপের পাশাপাশি খাবারের দোকানগুলিতেও ভিড় রয়েছে। সন্ধ্যা নামলেই স্টলগুলিতে ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়ে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে অনেকেই রাস্তার ধারের দোকান থেকে খাবার কিনে খান। কিন্তু সেই খাবার কতটা টাটকা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

অভিযোগ, ঘুগনি থেকে পনিরের নানা পদ বিক্রি হলেও সব খাবারের গুণমান ঠিক থাকছে না। রান্না করা খাবার দীর্ঘক্ষণ ফেলে রাখলে বা ঠিকমতো সংরক্ষণ না করলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সেই খাবার খেলে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। পেটের সমস্যা, বমি কিংবা ডায়রিয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই মেলার দোকানগুলিতে খাবারের মান বজায় রাখা জরুরি।

এই পরিস্থিতিতে দুর্গাপুরের বিভিন্ন মেলা ও পুজো মণ্ডপের সামনের খাবারের দোকানগুলিতে অভিযান চালায় খাদ্য সুরক্ষা দফতর। দোকানে বিক্রির জন্য রাখা খাবার পরীক্ষা করে দেখেন আধিকারিকরা। পচা ও বাসি খাবার চিহ্নিত হওয়ার পর সেগুলি ফেলে দেওয়া হয়। খাবার তৈরি ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে দোকানদারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফের এমন অনিয়ম ধরা পড়লে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

Leave a comment