মুখ্যমন্ত্রীকে একবার সামনে থেকে দেখার ইচ্ছা ছিল। সঙ্গে এনেছিলেন গীতা। সেই উপহার শুভেন্দু অধিকারীর হাতে তুলে দিতে কাকদ্বীপে দাঁড়িয়ে ছিলেন ৯০ বছরের জ্ঞানেন্দ্র সরকার। বৃদ্ধকে দেখতে পেয়েই গাড়ি থামান মুখ্যমন্ত্রী। নিরাপত্তারক্ষীদের দিয়ে তাঁকে কাছে ডেকে নেন।
আট নম্বর নর থেকে এসেছিলেন জ্ঞানেন্দ্র। গেরুয়া পোশাক পরা বৃদ্ধের হাতে ছিল একটি ব্যাগ। তার মধ্যেই রাখা গীতা। মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে আবেগে ভেসে যান তিনি। নিজের হাতে গীতা তুলে দেন শুভেন্দুর হাতে। উপহারটি গ্রহণ করে কপালে ঠেকান মুখ্যমন্ত্রী। বৃদ্ধকে বলেন, “ভালো থাকুন। আশীর্বাদ করুন।” মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হওয়ার আনন্দে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি জ্ঞানেন্দ্র।
কাকদ্বীপের রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন শুভেন্দু। সেই সময়ই বৃদ্ধকে রাস্তায় অপেক্ষা করতে দেখেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে গীতা উপহার দেওয়ার ইচ্ছা যে এ ভাবে পূরণ হবে, তা ভাবেননি জ্ঞানেন্দ্র।
এ দিন রবীন্দ্রভবনে পৌঁছনোর পর মুখ্যমন্ত্রীকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানও করেন তিনি। বৈঠকে প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পাথরপ্রতিমার তৃণমূল বিধায়ক সমীর জানা, মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার এবং গোসাবার বিজেপি বিধায়ক বিকর্ণ নস্কর।
সামনেই গঙ্গাসাগর মেলা। তার প্রস্তুতি নিয়ে এ দিনের বৈঠকে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হওয়ার কথা। মেলার আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কী নির্দেশ দেন, সে দিকেই নজর প্রশাসনের।

Leave a comment