স্কুল শুরুর আগেই ক্লাসরুমে শিক্ষক ও নাবালিকা ছাত্রীকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল হরিশ্চন্দ্রপুরে। একটি স্কুলের ক্লাসরুমে ৪৫ বছরের এক শিক্ষক ও ১৫ বছরের নবম শ্রেণির ছাত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এমনই অভিযোগ ওঠে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।
স্থানীয়দের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই শিক্ষক ও ছাত্রীকে স্কুল শুরুর অনেকটা আগে স্কুলে আসতে দেখা যাচ্ছিল। তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়। দু’জনকে সকাল সকাল স্কুলে ঢুকতে দেখা যায় বলে অভিযোগ। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় কয়েকজন স্কুলের ভিতরে ঢুকে তাঁদের একটি ক্লাসরুমে দেখতে পান। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়তেই সেখানে লোকজন জড়ো হতে শুরু করেন।
এরপরই অভিযুক্ত শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। স্থানীয়দের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষককে স্থানীয়দের হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নাবালিকাকেও সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই শিক্ষক। তাঁর দাবি, কম্পিউটার শেখানোর জন্যই ছাত্রীকে স্কুলে ডেকেছিলেন। অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি অন্যভাবে দেখছেন বলেও দাবি তাঁর।
এই ঘটনায় স্কুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্কুল শুরুর আগে শিক্ষক ও ছাত্রী কীভাবে সেখানে ঢুকলেন, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ক্লাসরুমে ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Leave a comment