২০২৭ সালে পিছিয়ে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। বছর ঘুরতেই জানুয়ারি থেকে জনগণনার কাজ শুরু হতে চলেছে। স্কুলের শিক্ষকরা জনগণনার কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাই পরীক্ষা না পিছোলে সেই সময়ে শিক্ষকদের পাওয়া মুশকিল। যার জেরে পরীক্ষা নিয়ে সংকট যাতে তৈরি না হয় সে কারণেই পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে পরীক্ষার সময়। পরীক্ষার দিন বদল নিয়ে প্রস্তাব আগেই দেওয়া হিয়, এবার তাতেই সিলমোহর দিল পর্ষদ।
পর্ষদ সভাপতি ড. রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় ২ নভেম্বর স্কুলশিক্ষা দফতরের কমিশনারকে চিঠি দেন। তিনি সেখানে নতুন সূচির অনুমোদনের আবেদন জানান। সূচি বদলের ক্ষেত্রে সর্বভারতীয় প্রবেশিকা ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং উচ্চমাধ্যমিকের সেমিস্টার পরীক্ষার দিনক্ষণের সঙ্গে যাতে কোনও সংঘাত না ঘটে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হয়েছে।
প্রস্তাবিত সূচি অনুসারে, ২ মার্চ ২০২৭ – প্রথম ভাষা, ৩ মার্চ ২০২৭ – দ্বিতীয় ভাষা, ৫ মার্চ – ইতিহাস, ৮ মার্চ – ভূগোল, ১২ মার্চ – গণিত, ১৩ মার্চ – ভৌতবিজ্ঞান, ১৫ মার্চ – জীবনবিজ্ঞান, ১৬ মার্চ – ঐচ্ছিক বিষয়। তবে পর্ষদের এই প্রস্তাবিত সূচি রাজ্য স্কুলশিক্ষা দফতরের চূড়ান্ত অনুমোদনের পরেই কার্যকর হবে।
কার্যত, পর্ষদের পক্ষ থেকে জানা যাচ্ছে, ২০২৭ পড়তেই শুরু হচ্ছে জনগণনার কাজ। এই কাজের প্রথম পর্যায়ে বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে। মূলত এই কাজ চলবে পয়লা মার্চ পর্যন্ত। বৃহৎ প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক স্কুলশিক্ষক যুক্ত থাকবেন। ফলে ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষা নেওয়া হলে কেন্দ্রগুলিতে প্রয়োজনীয় শিক্ষক ও পরিদর্শক পাওয়ার ক্ষেত্রে তীব্র প্রশাসনিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই সমস্যা যাতে না হয় তার জন্যই পরীক্ষা পিছনোর সিদ্ধান্ত৷

Leave a comment