বুধবার সকাল থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কামালগাজিতে তৎপরতা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি)। এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসে হানা দিয়ে তল্লাশি শুরু করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। তদন্তের সূত্র গুয়াহাটির একটি সাইবার প্রতারণার মামলা। ইডি সূত্রে খবর, চালের ব্যবসার আড়ালে বিপুল অঙ্কের টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।
তদন্তকারীদের নজরে কামালগাজির ব্যবসায়ী শ্যামল ব্যাপারী। অভিযোগ, চালের ব্যবসাকে সামনে রেখে ইন্টারনেটের মাধ্যমে হাওয়ালার কারবার চালাতেন তিনি। বুধবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় মোট চারটি জায়গায় একযোগে তল্লাশি শুরু হয়। প্রথমে লেকটাউনের একটি জায়গায় অভিযান চালান আধিকারিকরা। পরে তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কামালগাজিতে ওই ব্যবসায়ীর অফিস-সহ একাধিক জায়গায় পৌঁছন তাঁরা।
ইডি সূত্রে খবর, এই বিপুল আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে গুয়াহাটির সাইবার প্রতারণার টাকার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তল্লাশিতে ব্যবসায়িক নথি, ব্যাঙ্কের লেনদেনের হিসাব এবং বিভিন্ন ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সন্দেহের তালিকায় রয়েছে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও। প্রয়োজন পড়লে সেগুলি ফ্রিজ করা হতে পারে।
গুয়াহাটিতে সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া টাকা কীভাবে বাংলার ওই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হাওয়ালার পথে সরানো হত, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এই লেনদেনের পিছনে আরও কারও ভূমিকা রয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখছে ইডি।

Leave a comment