দীপাবলি ও ছটপুজোর আগে হাওড়া বাসস্ট্যান্ডে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হল প্রচুর বেআইনি বাজি। বুধবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ সেখানে তল্লাশি চালায়। গ্রেফতার করা হয় লাড্ডু শংকর ও হরিদাস দেবনাথ নামে দু’জনকে। বাজি রাখার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় পুলিশ।
উৎসবের মরশুমে বাজির চাহিদা বাড়ে। সেই সময় বেআইনি বাজির কারবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে। হাওড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রচুর বাজি মজুত রয়েছে বলে খবর পান গোলাবাড়ি থানার আধিকারিকরা। সেই খবরের ভিত্তিতেই বুধবার সেখানে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশির সময় দু’জনকে সন্দেহ হওয়ায় তাঁদের আটক করেন পুলিশকর্মীরা। বাজি রাখার লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় নথি দেখতে চাওয়া হলে কোনও কিছুই দেখাতে পারেননি তাঁরা। এরপরই বাজিগুলি বাজেয়াপ্ত করে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃতদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। কোথা থেকে এত বাজি আনা হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। সেগুলি হাওড়া থেকে অন্য কোথাও পাচারের পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই কারবারে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তা জানার চেষ্টা চলছে। ভিন রাজ্যের কোনও চক্রের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
দীপাবলি ও ছটপুজোর আগে বেআইনি বাজি বিক্রি এবং মজুত রুখতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ। পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সবুজ বাজি ছাড়া অন্য ধরনের বাজির উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নিয়ম অমান্য করে নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি বা মজুত করলে আইনি পদক্ষেপের কথাও জানানো হয়েছে। তার মধ্যেই হাওড়া বাসস্ট্যান্ডে পুলিশের এই অভিযান এবং বিপুল পরিমাণ বাজি উদ্ধারের ঘটনা সামনে এল।

Leave a comment